Press "Enter" to skip to content

হযরত আলীকে (আ.) কে ‘আবু তোরাব’ বলার রহস্য

একাধিক হাদীস থেকে প্রমাণিত হয় যে, রসুল (সাঃ) বিভিন্ন উপলক্ষ্যে হযরত আলীকে (আঃ) ‘আবু তোরাব’ বলে ডাকেন এবং এই উপাধি তিনি নিজেই হযরত আলীকে (আঃ) দেন। এ সম্পর্কে আমরা দু’টি হাদীস আপনাদের সামনে তুলে ধরছি:
১। দ্বিতীয় হিজরির ১৫ই জামাদিউল আওয়াল, রসুল (সাঃ) তাঁর কতিপয় সাহাবীকে নিয়ে কুরাইশদের কাফেলার উদ্দেশ্যে রওনা হয়ে ‘আশিরা’ নামক স্থানে পৌঁছেন; কিন্তু তারপরও কাফেলার কোনো সন্ধান মেলেনি। আশিরায় থাকা অবস্থায় একদিন রসুল (সাঃ) হযরত আলী (আঃ) ও আম্মারের নিকটে গিয়ে দেখেন তাঁরা শুয়ে আছেন এবং তাঁদের মুখমন্ডলে ধূলাবালি পড়ে রয়েছে। আর এহেন অবস্থা দেখে আল্লাহর রসুল (সাঃ) তাঁদের দুইজনকে আদর করে ডাকেন। হযরত আলীকে (আঃ) বলনে, “হে আবু তোরাব! আমি তোমাকে দুইজন অতীব মন্দ লোকের সংবাদ দিতে চাই যাদের একজন হচ্ছে ‘কাদার বিন সালেফ’ যে হযরত সালেহ’র উটনীকে হত্যা করেছিল; আর দ্বিতীয়জন হচ্ছে সেই ব্যক্তি যে তোমার ঘাড়ে তলোয়ারের আঘাত করে তোমার রক্তে তোমার দাড়িকে রঞ্জিত করে তুলবে!”
এরপর থেকেই সবাই হযরত আলীকে (আঃ) আবু তোরাব উপাধি ধরে ডাকতে থাকে এবং তিনিও এই উপাধিকে অনেক পছন্দ করতেন। কেননা রসুল (সাঃ) তাঁকে এই উপাধি দান করেন।
২। ইবনে আব্বাস বলেন, মহানবী হযরত মুহাম্মদ (সাঃ) কর্তৃক হযরত আলীকে আবু তোরাব উপাধি দানের হেতু ছিল এই যে, রসুলের (সাঃ) পর তিনিই হচ্ছেন পৃথিবীর মালিক ও পৃথিবীতে আল্লাহর হুজ্জাত এবং তাঁরই কারণে পৃথিবী টিকে আছে। আর এ সূত্র ধরেই হযরত আলীকে (আঃ) আবু তোরাব বলা হয়।
পবিত্র কুরআনে বলা হয়েছে: কাফেররা কিয়ামতের দিন বলবে, “আমরা যদি মাটি হতে পারতাম!” তাদের এই আকাঙ্খার ভাবার্থ হচ্ছে এই যে, তারা যদি হযরত আলীর (আ.) শিয়া বা অনুসারী হতে পারত। আর তিনি যেহেতু শিয়াদের নেতা তাই তাঁকে আবু তোরাব বলা হয়।
৩। একদা হযরত আলী (আঃ) মাটিতে শুয়ে ছিলেন। অতঃপর আল্লাহর রসুল (সাঃ) তাঁকে উঠিয়ে