মহানবী হযরত মুহাম্মদ (সা.)-এর মৃত্যুর পর মুসলিম সমাজে সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ আলোচ্য বিষয়টি ছিল খেলাফত তথা রাসূল (সা.)-এর উত্তরাধিকারী নিয়ে৷ একটি দল কিছু বিশিষ্ট সাহাবাদের পরামর্শে হজরত আবু বকরের খেলাফতকে মেনে নিয়েছিল৷ অপর দলটির দৃঢ় বিশ্বাস রাসূল (সা.)-এর উত্তরাধিকারী তাঁর মনোনয়নের…
Posts published in “আকায়েদ ও দ্বিন সমূহ”
শিয়া ও আহলে সুন্নাত এ দুই সম্প্রদায়ের মূল গ্রন্থসমূহে কোরান করিমের আয়াত ও নবী করিম (সা.) এর রেওয়ায়েতের প্রতি দৃষ্টি দিলে আমরা দেখতে পাই যে, আম্বিয়ায়ে কেরাম (আ.) ও আউলিয়ায়ে ইলাহিদের বিশেষ করে নবী করিমকে (সা.) তাওয়াস্সুল বা উসিলা (মাধ্যম)…
শিয়া মাজহাব মুসলিম মাজহাবগুলো থেকে বিচ্ছিন্ন কোনো মাজহাব নয়। মুসলিম মাযহাবগুলোর মাঝে বিভিন্ন বিষয়ে মতানৈক্য রয়েছে। যদিও সেগুলোর বেশিরভাগই কালাম শাস্ত্রের সঙ্গে সম্পর্কিত এবং বেশিরভাগ সাধারণ মুসলমানই সেগুলো সম্পর্কে ধারণা রাখেন না। বিভিন্ন বিষয়ে মতানৈক্য থাকা সত্ত্বেও বহু অভিন্ন বিষয়…
দ্বাদশ ইমামপন্থীদের দৃষ্টিতে ইসলামের মৌলিক বিশ্বাস অস্তিত্ব ও বাস্তব জগতের প্রতি দৃষ্টিপাত-আল্লাহর অস্তিত্বের আবশ্যকতা মানুষ তার স্বভাবগত উপলব্ধি ক্ষমতা যা জন্ম সূত্রে প্রাপ্ত তার মাধ্যমে সর্ব প্রথম যে কাজটি করে, তা হল এ বিশ্ব জগত ও মানব জাতির স্রষ্টার অস্তিত্বকে…
আমরা বানি উমাইয়া সরকারকে এমনকি হযরত ইমাম বাকির (আ.) ও হযরত ইমাম জাফর সাদিক (আ.) এর যুগেও শক্তিশালী একটি সরকার রূপে চিনি। বনি উমাইয়া সরকারের শাসনামলের শেষ সময় পর্যন্ত সহিংসতা, অত্যাচার ও স্বৈরচারীতা ব্যাপকভাবে পরিলক্ষিত হয়। অর্থাৎ তারা তাদের হুকুমতের…
এস, এ, এ আরবী ‘কুরবান’ “قربان” শব্দটি ফারসী বা ঊর্দূতে ‘কুরবান’ রুপে পরিচিত হয়েছে, যার অর্থ ‘নৈকট্য’। পারিভাষিক অর্থে কুরবানী’ ঐ মাধ্যমকে বলা হয়, যার দ্বারা আল্লাহর নৈকট্য অর্জিত হয়। প্রচলিত অর্থে, ঈদুল আযহার দিন আল্লাহর সন্তুষ্টি লাভের উদ্দেশ্যে শারঈ…





