Press "Enter" to skip to content

Posts tagged as “আবু বকর”

খলিফাবৃন্দ ও আহলুস সুন্নাহ আলেমদের বর্ণনায় ইমাম আলি (আ.) এর মর্যাদা- ১

অনুবাদ: ড. আবু উসামা মুহাররম হযরত আলি (আ.) এর প্রশংসায় ইসলামের খলিফাগন ও আহলুস সুন্নাহ এর জগৎবিখ্যাত আলেমগনের হার্দিক অভিমত কেমন ছিল, নিম্নে এ সম্পর্কে নাতিদীর্ঘ আলোচনা উপস্থাপনের প্রয়াস পাবো। হযরত আবু বকর قال الشعبی: بینا ابوبکر جالس اذ طلع…

হযরত ফাতেমা যাহরা (সা.আ.)-এর রাত্রিকালীন দাফন সম্পর্কে শিয়া ও আহলুস সুন্নাহ এর অভিমত

অনুবাদ: ড. আবু উসামা মুহাররম বলা হয়ে থাকে যে, হযরত ফাতিমা যাহরা (সা.আ.)এর পরিবার তাঁকে রাতে দাফন করেছিলেন। এটিই বাস্তবতা। আর এটি আসমা বিনতে উমাইসের প্রতি হযরত ফাতিমার অসিয়ত ছিল। মূলত: তিনি তার দেহবায়বের আকার বা পরিমাপকে নামাহরাম কোন পুরুষকে…

আহলুস সুন্নাহ এর দৃষ্টিতে হযরত ফাতেমা যাহরা (সা.আ.)এর মর্যাদা-৫

অনুবাদ: ড. আবু উসামা মুহাররম লানুরিছু «لانورث»হাদিসের পর্যালোচনা ১. এই হাদিসটি মিথ্যা। জাহাবী লিখেছেন: “আবদান বলেছেন: আমি ইবনে খোরাশকে বললাম: হাদিস “«لانورث», আমরা কোন উত্তরাধিকার রাখি না, তিনি বললেনঃ এটা মিথ্যা বা জাল।”[১] ২. এই হাদিসটি একটি একক বর্ণনা যা…

আহলুস সুন্নাহ এর দৃষ্টিতে হযরত ফাতেমা যাহরা (সা.আ.)এর মর্যাদা-৪

অনুবাদ: ড. আবু উসামা মুহাররম আহলুস সুন্নাহ পন্ডিতগণ কাউসারের অন্যান্য অর্থ উল্লেখ করেছেন, যেমন কুরআন[১২৬],  অসংখ্য সাহাবি এবং অনুসারী [১২৭], নবি-হৃদয়ের আলো [১২৮], সুপারিশ [১২৯], একেশ্বরবাদ [১৩০], মুজেযা [১৩১], কুরআনের তাফসির এবং আইনের হ্রাস [১৩২], আল্লাহ ছাড়া কোন উপাস্য নেই,…

ধর্মীয় দৃষ্টিকোণ থেকে ক্রন্দন

অনুবাদ: ড. আবু উসামা মুহাররম আল কুরআনে [১] [২] এবং বিশেষ করে হাদিসে ইবাদতের সময় কান্না করা বাঞ্ছনীয়। কথিত আছে যে, নবি মুহাম্মাদ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) কখনও কখনও প্রার্থনার সময় উচ্চস্বরে কাঁদতেন। প্রথম খলিফা আবু বকর ও উমর রা.-এরও…

আশারা মুবাশশারা হাদীস নিয়ে একটি পর্যালোচনা

মো. আলী নওয়াজ খান আশারা মুবাশ্শিরা (عَشْرَه مُبَشَّرَه )হাদীস অর্থাৎ তথাকথিত জান্নাতের সুসংবাদ প্রাপ্ত দশজন সাহাবী সংক্রান্ত হাদীস। আহলে সুন্নতের কারো কারো মতে হাদীসে উল্লেখিত দশজন তাদের জীদ্দশয়ায় যাই করুন না কেন অবশেষে তারা বেহেশতে প্রবেশ করবেন । সুসংবাদ প্রাপ্ত…

উম্মুল মোমেনীন হযরত আয়েশার (রা.) ভাইকে কে হত্যা করে?

মুয়াবিয়া হিজরী ৩৮ সনে ওমর ইবনে আসকে ছয় হাজার সৈন্যের একটি সেনাবাহিনীর নেতৃত্ব দিয়ে মিশরে প্রেরণ করেছিলেন । ঐ সময়ে মুহাম্মদ ইবনে আবু বকর মিশরে হযরত আলী (আ.) – এর পক্ষ থেকে গর্ভণর হিসাবে দায়িত্ব পালনে নিয়োজিত। ওমর ইবনে আস…